রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের মধ্যে প্রস্তাবিত ‘দ্বিতীয় পদ্মা সেতু’ নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার জন্য ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- পাহাড়ধসে তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে গেল গাড়ি, প্রাণ গেল চালকসহ ১৩ জনের
- * * * *
- দেশের মাটি থেকেই বিদায় নেবেন মেসি, পরিকল্পনায় ‘বিশেষ’ ম্যাচ
- * * * *
- নতুন অ্যাপ ইনস্টল করার আগে সাবধান: যেসব অনুমতি না ভেবে দেওয়া ঠিক নয়
- * * * *
- ঠান্ডা পানিও স্বপ্ন: ফ্রিজ না থাকায় গাজায় পচছে খাবার ও ওষুধ
- * * * *
- স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, জরুরি অবস্থা জারি
- * * * *
পদ্মা সেতু
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবার পদ্মা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ কোটি ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এটি এক দিনে টোল আদায়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড।
বাংলাদেশে সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এবারের ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতুতে চালু হয়েছে দেশের প্রথম সমন্বিত ক্যাশলেস টোলিং সেবা ‘ডি-টোল’।
পদ্মা সেতু নির্মাণের ফিজিবিলিটি স্টাডি, ভিজিবিলিটি ও মাওয়া প্রান্তে অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণের কাজ বিএনপি সরকারের আমলেই সম্পন্ন হয়েছিল। তৎকালীন খালেদা জিয়া সরকারের সময় ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয় এবং মাওয়া প্রান্তে সেতুর অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয়। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্প ও ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
দেশের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে পদ্মা সেতুর উভয় প্রান্তে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে টোল প্লাজায় থামা ছাড়াই গাড়ি পারাপারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, যা সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি যানজট কমাতে সহায়ক হবে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি ৭ দিনসহ ১১ দিনে পদ্মা সেতু দিয়ে ৩৪ লাখ ১ হাজার ৫০৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতিহারের অংশ হিসেবে দেশের যোগাযোগ খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের রোডম্যাপ তৈরি করছে সরকার।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ আপন নীড়ে ফিরতে শুরু করেছেন।
কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে।